অবশেষে এলো কাঙ্খিত জয়। বাংলাদেশ বড় ব্যবধানে জিতবে এমনটা আগেই ধারণা করেছিলো দর্শকরা। শেষমেষ হলোও তাই। ১৬৩ রানের বড় জয় পেল টাইগাররা। ৩২১ রানের বড় জয় তাড়া করতে নেমে শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানরা পাত্তাই পেল না বাংলাদেশি বোলারদের কাছে। মাত্র ৩২৩.২ ওভারে ১৫৭ রান করে অলআউট হয়ে গেলেন হাথরুসিংহের শ্রীলঙ্কা।

সাকিব নিলেন ৩ উইকেট। এছাড়া মাশরাফি ২, রুবল ২ এবং মুস্তাফিজ, নাসির নিয়েছেন ১ উইকেট করে।

অপেক্ষা এখন বড় জয়ের

নবম উইকেটের পতন হলো শ্রীলঙ্কার। উইকেটটি নিলেন রুবেল হোসেন। এর আগে অষ্ট উইকেটটি নিলেন সাকিব। এখন অপেক্ষা বাকি উইকেট পতনের।

সাকিবের জোড়া আঘাত, কাঁপছে লঙ্কান শিবির

আবারও শ্রীলঙ্কার উইকেটের পতন। এবার উইকেট নিলেন সাকিব আল হাসান। পরপর ২ উইকেট। শ্রীলঙ্কার ৭ উইকেটের পতন। তার আগে রান আউট হয়ে ফিরে গেলেন চান্দিমাল। সাঝঘরে ফেরার আগে তার রান ২৮। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ওভারে দ্রুত রান নিতে গিয়ে সাকিবের থ্রুতে আউট হলেন এই লঙ্কান ব্যাটসম্যান।

চতুর্থ উইকেটটি নিলেন মুস্তাফিজ, দিশেহারা শ্রীলঙ্কা

১৯তম ওভারটি করছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। ৪র্থ বলে বোল্ড করে দিকওয়ালে ফেরত পাঠিয়ে লঙ্কানদের বিপর্যস্ত করে দিয়েছেন। এখন বলতে গেলে ধুঁকছে শ্রীলঙ্কা।

মেন্ডিসকেও ফেরালেন মাশরাফি

লম্বা স্পেলে আঁটসাঁট বোলিংয়ে লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের বেঁধে রেখেছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। উপুল থারাঙ্গাকে ফেরানোর পর তুলে নিয়েছেন কুসল মেন্ডিসের উইকেটও।

গ্যাপ বের করতে পারছিলেন না মেন্ডিস। রানের জন্য মরিয়া হয়ে উড়াতে চেয়েছিলেন মাশরাফিকে। বল উঠল আকাশে। মিড অফে ক্যাচ ধরলেন রুবেল হোসেন। শেষ হল মেন্ডিসের নড়বড়ে ইনিংস।

৩৪ বলে একটি চারে ১৯ রান করে ফিরেন মেন্ডিস। ১৪ ওভার শেষে শ্রীলঙ্কার স্কোর ৬৪/৩। ক্রিজে নিরোশান ডিকভেলার সঙ্গী দিনেশ চান্দিমাল। জয়ের জন্য ৩৬ ওভারে আরও ২৫৭ রান চাই অতিথিদের।

এবার দ্বিতীয় উইকেট নিলেন মাশরাফি

২৫ রান করা থারাঙ্গাকে ফেরালেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। সংক্ষিপ্ত স্কোর: শ্রীলঙ্কা ১১ ওভারে ৫৩/২ (বাংলাদেশ ৩২০/৭)। মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের দেয়া ৩২১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করছে শ্রীলঙ্কা।

লঙ্কান শিবিরে প্রথম আঘাত নাসিরের

শুরুতেই বিপজ্জনক কুসল পেরেরাকে ফিরিয়ে দিলেন নাসির হোসেন। এই অফ স্পিনারের বলে বোল্ড হয়েছেন লঙ্কান বাঁহাতি ওপেনার।

প্রথম ওভারে মাত্র ২ রান দেওয়া নাসিরকে এগিয়ে এসে উড়াতে চেয়েছিলেন কুসল। এগিয়ে আসায় বল হয়ে ইয়র্কার লেংথের। ক্রস ব্যাটে বলে ব্যাট ছোঁয়াতে পারেননি। এলোমেলো হয়ে যায় স্টাম্প।

এর আগে রিভিউ নিয়ে বেঁচে গেলেন থারাঙ্গা। দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসেই আঘাত হেনেছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। জোরালো আবদনে সাড়া দিয়ে আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার। কিন্তু রিভিউ নিয়ে বাঁচেন উপুল থারাঙ্গা।

লঙ্কান ওপেনার এলবিডব্লিউ হননি মাশরাফির বল লেগ স্টাম্পের বাইরে পিচ করায়।

Share.

Leave A Reply